পোস্টগুলি

দরজায় দাঁড়িয়ে ভাবী- ১ম পর্ব

ছবি
 ‎দরজায় দাঁড়িয়ে ভাবী- ১ম পর্ব  ‎ ‎সোমা ভাবীর লিভিং রুমে বসে টিভি দেখছি। গত রাতেই ভাবী টেক্সট দিয়েছিলেন- ভাই কিছু টাকা লাগতো ইমারজ্জেন্সি। দুপুর ২ টার পরে যদি একটু চা খেয়ে যেতেন তাহলে বিস্তারিত বলতে পারতাম আপনাকে। ফোনে সব বলা যায়না বোঝেনই তো। আমিও তাকে জানিয়ে দিলাম যে দুপুরের পরে আসতে পারবো কিনা শিউর না ভাবী, চেস্টা করবো। ভাবী, আবার টেক্সট দিলেন- মন দিয়ে চেস্টা করলে আপনার ধোনে সুখের অভাব হবেনা কিন্তু। মেসেজ দেখেই বাড়াটা কেপে উঠলো। বিচি মুচড়ে শক্ত হয়ে গেল মুহূর্তেই। ‎ ‎ডবকা ডবকা সাইজের চোখ আটকে থাকার মত দুই দুধ যেন না চাইতে প্রেস করতে প্রুলব্দ করে হুট করেই। তার সাইজ আসলে এমনিতে বোঝা যায় না। কিন্তু ধরার পর টের পেলাম যে, এক হাতে আটে না। মজার কথা হল, টেপার সময় মাই এর কিছুটা হাতের মুঠতে না ধরায় টিপে অন্য রকম ফিলিং কাজ করে। সোমা ভাবীর স্তন আগের থেকেও দারুন হয়ে উঠবে ভাবতেই পারিনি। বিয়ের এতো বছর পরেও এমন আকর্ষণীয় দুধ খুব কম মেয়েরই থাকে। ‎ ভিডিও দেখুন  ‎হাটু গেড়ে বসলো? আমি তাকাতেই সোমা ভাবী বল্লেন- কি, লজ্জা পাচ্ছেন ভাই? ব্যাপার না, জাস্ট প্যান্টের জিপারটা খুলব। তার পর আপনি চাইলে ন...

‎যে চিঠি কখনো পাঠানো হয়নি | একটি অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প

ছবি
যে চিঠি কখনো পাঠানো হয়নি | একটি অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প  কিছু ভালোবাসা শেষ হয়ে যায় না। শুধু সময়ের আড়ালে হারিয়ে যায়। আর কিছু কথা মুখে বলা হয় না—চিঠির পাতায় থেকে যায়। “যে চিঠি কখনো পাঠানো হয়নি” এমনই এক ভালোবাসার গল্প, যেখানে অপেক্ষা, অভিমান, না-বলা অনুভূতি আর ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা একসঙ্গে মিশে আছে। বিকেলের শেষ আলো তখন জানালার কাঁচে এসে পড়েছে। শহরের ব্যস্ততা ধীরে ধীরে সন্ধ্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অর্ণব টেবিলের ওপর রাখা পুরোনো খামটির দিকে তাকিয়ে বসে ছিল। খামটির ওপর কোনো ঠিকানা লেখা নেই। শুধু এক কোণে ছোট করে লেখা— “যাকে কখনো বলা হয়নি...” ছয় বছর ধরে চিঠিটা তার কাছে। ছয় বছর ধরে সে চিঠিটা পাঠায়নি। কারণ কিছু চিঠি ডাকঘরে পাঠানো যায় না। সেগুলো শুধু হৃদয়ের ভেতরেই থেকে যায়। ছয় বছর আগের সেই দিন অর্ণব তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্র। প্রতিদিনের মতো সেদিনও লাইব্রেরির সামনে দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিল। হঠাৎ তার চোখ আটকে গেল সামনের বেঞ্চে বসে থাকা মেয়েটির দিকে। মেয়েটির হাতে একটি বই। চুলগুলো কাঁধের ওপর ছড়িয়ে ছিল। মাঝে মাঝে সে বই থেকে চোখ তুলে চারপাশে তাকাচ্ছিল। মেয়ে...

শেষ ট্রেনের আগে | একটি অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প

ছবি
 ‎ ‎ ‎ঢাকার শহর কখনো ঘুমায় না। ‎ ‎রাত যত গভীর হয়, শহরের আলো তত বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উঁচু ভবনের জানালায় জ্বলে থাকা ছোট ছোট আলো, ব্যস্ত সড়কে ছুটে চলা গাড়ি, দূরের কোনো রেস্টুরেন্ট থেকে ভেসে আসা মানুষের হাসি—সব মিলিয়ে শহরটা যেন নিজের মতো করে বেঁচে থাকে। ‎ ‎কিন্তু এই বিশাল শহরের মাঝেও কখনো কখনো একজন মানুষ নিজেকে ভীষণ একা মনে করতে পারে। ‎ ‎আরিয়ানও সেদিন ঠিক তেমনই একা ছিল। ‎ ‎অফিস থেকে বের হয়ে সে ধীরে ধীরে হাঁটছিল। হাতে ফোন। স্ক্রিনে খোলা ছিল একটি পুরোনো ছবি। ‎ ‎ছবিটায় দুজন মানুষ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিল। ‎ ‎আরিয়ান আর নীলা। ‎ ‎ছয় বছর আগের ছবি। ‎ ‎ছবির নীলা হাসছিল। সেই হাসিটা এখনও আরিয়ানের মনে স্পষ্ট। এমন একটা হাসি, যেটা দেখলে মনে হতো পৃথিবীতে কোনো দুঃখ নেই। ‎ ‎আরিয়ান ছবিটার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল। ‎ ‎তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলল। ‎ ‎ছয় বছর। ‎ ‎কী অদ্ভুত! ‎ ‎একসময় যে মানুষটিকে ছাড়া একটা দিনও কল্পনা করা যেত না, সেই মানুষটির সঙ্গে ছয় বছর কোনো কথা নেই। ‎ ‎আরিয়ান আর নীলার পরিচয় হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে। ‎ ‎প্রথম দেখায় নীলাকে আরিয়ানের খুব একটা ভালো লাগেনি। ‎ ‎কারণ মেয়েটি সবসময় তর্ক করত। ‎ ‎কোনো...